Sunday, January 25, 2026
Home Blog

কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে পালন করা হলো রক্তদান শিবির

News Hungama:

কলকাতা ২৪ জানুয়ারী ২০২৬:কালীঘাট স্পোর্টস লাভার্স অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে নেতাজির জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রক্তদান উৎসব পালন করা হল। মাননীয় সমাজ সেবক বাবুন ব্যানার্জির উদ্যোগে ২হাজারের বেশি মানুষ এই শিবিরে রক্তদান করেন। এই রক্তদানকে সাফল্যমন্ডিত করে তুলতে এবং মানুষকে উৎসাহ দিতে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস দলের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সভাপতি এবং রাজ্যসভা্র সাংসদ সুব্রত বক্সি মহাশয়

রাজনীতিবিদ জয়প্রকাশ মজুমদার, সঞ্জয় বক্সী সমাজসেবী অজিত বন্দ্যোপাধ্যায়, ফুটবলার দিব্যেন্দু বিশ্বাস,রহিম নবীর এবং সঞ্জয় মাঝি, বিশিষ্ট ডাক্তার সুদীপ্ত রায় চৌধুরী, বক্সার আলি কামার ও রাজনৈতিক এবং সামাজিক ব্যক্তিত্বরা। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বহু মানুষ এই রক্ত দানের জন্য হাজির হন নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে। ১৯৯৮ সালে মাত্র ৫০৪ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে নিয়ে যে উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল, আজ তা রূপ নিয়েছে এক বৃহৎ সামাজিক আন্দোলনে।এই রক্তদান শিবিরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল এর সার্বজনীন চরিত্র। ধর্ম, জাতি কিংবা ভাষার বিভাজন ছাপিয়ে হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান—সব সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই মানবতার ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়। এবারে কলকাতা এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রক্তদাতারা এসে উপস্থিত হন নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে। বাদ যায়নি দেশের সামরিক বাহিনীর সদস্যরাও। যেহেতু সারা বছরই রক্তের প্রয়োজন রয়েছে তাই বাবুন ব্যানার্জীর উদ্যোগে এই শিবিরের মাধ্যমে যে রক্ত সংগ্রহ করা হয় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত প্রয়োজনে সে রক্ত পেয়ে থাকে। আপামর জনসাধারণ সে কথা স্বীকার করেছেন। যে সমস্ত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা রক্তদানে উপস্থিত ছিলেন তারাও জানান রক্তের প্রয়োজনীয়তার কত মাথায় রেখে কিভাবে বাবুন ব্যানার্জি রক্তের দানের মাধ্যমে এক মানব আন্দোলন গড়ে তুলেছেন। যা সামগ্রিক ক্ষেত্রে মানুষের মধ্যে যেমন তার প্রতি আশা জাগিয়েছে এবং সমাজসেবার এক নয়া নিদর্শন তুলে ধরেছেন। তাই রাজ্যের বিভিন্ন গুণী ব্যক্তিরাও এই রক্তদান শিবিরে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রত্যেক উৎসাহ দিয়ে গেছেন।

বিশ্বাসের শতাধিক বছর উদযাপনে বিপি অয়েল মিলস-এর কেন্দ্রে হাতি মার্কা

News Hungama:

 

কলকাতায় অনুষ্ঠিত ডিলার মিটে হাতি মার্কার ঐতিহ্য, অংশীদারদের আস্থা এবং ঐতিহ্য ও উদ্ভাবনের ভিত্তিতে বিপি অয়েল মিলসের ভবিষ্যৎ বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে।

 

কলকাতা, ২১ জানুয়ারি ২০২৬: আজকের দিনে ভোক্তারা যখন বিশ্বাসযোগ্য ও খাঁটি ব্র্যান্ড বেছে নিচ্ছেন, তখন হাতি মার্কা ভারতীয় রান্নাঘরে ভরসার এক পরিচিত নাম হিসেবে আরও শক্ত অবস্থান গড়ে তুলেছে। বিপি অয়েল মিলস-এর ঐতিহাসিক ডিলার মিটে এই বিশ্বাসের ঐতিহ্য উদযাপন করা হয়। “পরম্পরা ও প্রগতি” থিমে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে ভোজ্য তেল শিল্পে কোম্পানির ১০০ বছরেরও বেশি সময়ের যাত্রা ও অবদান তুলে ধরা হয়।

 

বহু প্রজন্ম ধরে হাতি মার্কা শুধু একটি ভোজ্য তেলের ব্র্যান্ড নয়—এটি বিশুদ্ধতা, শক্তি ও নির্ভরযোগ্য মানের প্রতীক। পারিবারিক রান্না হোক বা প্রতিদিনের খাবার, বছরের পর বছর ধরে একই মান বজায় রেখে হাতি মার্কা বিপি অয়েল মিলস-এর অন্যতম বিশ্বস্ত ও পরিচিত পণ্যে পরিণত হয়েছে।

 

১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কলকাতার হোটেল হলিডে ইন-এ আয়োজিত ডিলার মিটে বিপি অয়েল মিলস-এর বিকাশে হাতি মার্কার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে দেখানো হয়, কীভাবে ব্র্যান্ডটি তার মূল মূল্যবোধ অটুট রেখে ভোক্তাদের বদলে যাওয়া চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন অঞ্চলে শক্তিশালী বাজার গড়ে তোলা এবং ভোক্তাদের আস্থা অর্জনে অবদানের জন্য দীর্ঘদিনের ডিলার ও পরিবেশক অংশীদারদের সম্মানিত করা হয়।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিপি অয়েল মিলস-এর নেতৃত্ব ভবিষ্যতের জন্য একটি স্পষ্ট বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেন, যেখানে সম্প্রসারণ কৌশলের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে হাতি মার্কাকে। এই রোডম্যাপের মূল দিক ছিল বিতরণ ব্যবস্থা আরও মজবুত করা, নতুন বাজারে প্রবেশ, ব্র্যান্ডের উপস্থিতি বাড়ানো এবং প্রতিযোগিতামূলক ভোজ্য তেলের বাজারে ভোক্তাদের বিশ্বাস আরও জোরদার করা।

 

যদিও বিপি অয়েল মিলস একাধিক বিভাগে নানা পণ্যের সঙ্গে কাজ করে, তবুও হাতি মার্কা তাদের ভোজ্য তেল ব্যবসার মূল ভিত্তি হিসেবে রয়ে গেছে। অন্যান্য ব্র্যান্ডের সহায়তায় একসঙ্গে এগিয়ে চলা এই পোর্টফোলিও গুণমানভিত্তিক বৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টির প্রতি কোম্পানির প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে।

 

বর্তমানে একটি শক্তিশালী বিতরণ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হাতি মার্কা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারেও পৌঁছে যাচ্ছে, যা বিপি অয়েল মিলস-এর ঐতিহ্য ও বিশ্বাসকে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আরও বিস্তৃত করছে।

 

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিপি অয়েল মিলস লিমিটেড-এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ভরত ভগৎ উদ্দেশ্যনিষ্ঠা, সততা ও ভবিষ্যতমুখী দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে হাতি মার্কার মতো ঐতিহ্যবাহী ব্র্যান্ডকে লালন করার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

 

প্রেসিডেন্ট রাঘব ভগৎ ব্র্যান্ড ও পরিবেশকদের মধ্যে দৃঢ় অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে টেকসই প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করার কথা বলেন।

 

সিটিও উদ্ধব ভগৎ জানান, কীভাবে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে গড়ে ওঠা আস্থাকে অক্ষুণ্ণ রেখে কোম্পানির কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করছে। অন্যদিকে, হেড অফ মার্কেটিং অ্যান্ড ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনস রাজেশ কুমার হাতি মার্কার ঐতিহ্য এবং ভোক্তাদের সঙ্গে এর আবেগগত সংযোগ আরও গভীর করতে ধারাবাহিক ও অর্থবহ গল্প বলার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

 

পরম্পরা ও প্রগতির দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে, হাতি মার্কার এই যাত্রা বিপি অয়েল মিলস-এর সেই বিশ্বাসকেই তুলে ধরে—যে প্রকৃত অগ্রগতি সবসময় বিশ্বাসের দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে হাতি মার্কা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ঐতিহ্য, গুণমান ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে এগিয়ে চলেছে, যাতে আগামী প্রজন্মের জন্যও এটি একটি বিশ্বস্ত পছন্দ হিসেবে নিজের অবস্থান বজায় রাখতে পারে।

জোড়াসাঁকোর নোপানি হাইস্কুলে সরস্বতী পুজো, প্রাক্তনী ও পড়ুয়াদের মিলনমেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

News Hungama:

 

কলকাতার জোড়াসাঁকো অঞ্চলে অবস্থিত ৭২ বছরের পুরনো স্কুল নোপানি হাইস্কুলে ভক্তি ও উৎসবের আবহে উদযাপিত হল সরস্বতী পুজো। বিদ্যার দেবী মা সরস্বতীর আরাধনাকে কেন্দ্র করে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আন্তরিক ও আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

এই উপলক্ষে বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রজন্মের ছোট ছোট খুদে পড়ুয়ারা মা সরস্বতীর বন্দনার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করে। পরে নৃত্য, সংগীত, আবৃত্তি সহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয় তারা। শিশুদের নিষ্পাপ পরিবেশনা দর্শকদের মন কেড়ে নেয়।

সরস্বতী পুজোর আর এক বিশেষ দিক ছিল বিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের উপস্থিতি। দেশ-বিদেশে কর্মরত বহু প্রাক্তনী এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বর্তমান প্রজন্মের পড়ুয়াদের উৎসাহিত করেন। এতে করে বিদ্যালয়ে এক আবেগঘন প্রাক্তনী–বর্তমান মিলনমেলা তৈরি হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিব্যেন্দু সেন শর্মা জানান, “আমাদের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র পুজো উদযাপন নয়। ছেলে মেয়েরা যাতে সঠিক পথে নিজেদের পরিচালিত করতে পারে এবং আদর্শ মানুষ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে, সেই লক্ষ্যেই মা সরস্বতীর বন্দনার মাধ্যমে তাদের মধ্যে নৈতিকতা ও মূল্যবোধ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।”

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, সরস্বতী পুজোর মতো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো সম্ভব। সব মিলিয়ে, নোপানি হাইস্কুলের সরস্বতী পুজো হয়ে উঠল শিক্ষা, সংস্কৃতি ও আদর্শ গঠনের এক সুন্দর নিদর্শন।

এদিন দ্বাদশ শ্রেনী পাস আউট পড়ুয়াদের ফেয়ারওয়েল দেওয়া হয়।

আগামী ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত হতে চলেছে ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬

News Hungama:

ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬, যা আগামী ১৯ থেকে ২২ মার্চ পর্যন্ত নিউ দিল্লির দ্বারকার যশোভূমিতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, এই সম্মেলনের থিম হলো “ইলেক্ট্রিফাইং গ্রোথ। এমপাওয়ারিং সাসটেইনবলিটি। কানেক্টিং গ্লোবালি” অর্থাৎ “প্রবৃদ্ধিকে গতিশীল করা। টেকসই উন্নয়নকে শক্তিশালী করা। বিশ্বজুড়ে সংযোগ স্থাপন করা”। বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ রূপরেখা নির্ধারণে এই সম্মেলনটি বিশ্বব্যাপী নীতি-নির্ধারক, শিল্প খাতের নেতৃবৃন্দ, প্রযুক্তি সরবরাহকারী, বিনিয়োগকারী এবং বিশেষজ্ঞদের একত্রিত করবে, যেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ, সংরক্ষণ এবং স্মার্ট ব্যবহারের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। আশা করা হচ্ছে যে, এই সম্মেলনে ৫০টিরও বেশি উচ্চ-পর্যায়ের অধিবেশন, ৩০০ জনেরও বেশি বক্তা, ১,০০০ জন প্রতিনিধি, ৫০০-এর বেশি প্রদর্শক এবং ২৫,০০০-এরও বেশি দর্শক সমাগম ঘটবে, যা এটিকে বিদ্যুৎ খাতের অন্যতম বৃহৎ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত করবে। ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬ হলো বিদ্যুৎ মন্ত্রক এবং শিল্প খাতের একটি সম্মিলিত উদ্যোগ এবং পাওয়ারগ্রিড (নোডাল), এনটিপিসি, পিএফসি, আরইসি এবং এনএইচপিসি-র যৌথ সহযোগিতায় ইঞ্জিনিয়ারিং এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিল (ইইপিসি ইন্ডিয়া) এটির সমন্বয় সাধন করছে।

সম্মেলনটির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে, ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬ কর্তৃপক্ষ ২১শে জানুয়ারী ২০২৬ তারিখে কলকাতায় একটি স্টেকহোল্ডার এনগেজমেন্ট ও রোডশোও আয়োজন করেছিল, যেখানে বিদ্যুৎ খাতের প্রধান পিএসইউগুলি এবং শিল্প সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সমবেত হয়েছিলেন। এই কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল ভারতের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ ব্যবস্থার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে বিশদ ধারণা বিনিময় করা এবং দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ খাত বিষয়ক প্ল্যাটফর্ম ভারত ইলেকট্রিসিটি সামিট ২০২৬-এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ তুলে ধরা। পশ্চিমবঙ্গ স্টেট ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (WBSEDCL) এবং দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন (DVC)-এর প্রতিনিধিরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

১৯৯৮ থেকে মানবতার উৎসব: কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশনের রক্তদান শিবিরে হাজারো মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ

News Hungama:

কলকাতা:

মানবতার সেবায় দীর্ঘ ২৬ বছরের নিরবচ্ছিন্ন যাত্রায় এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশন। ১৯৯৮ সালে মাত্র ৫০৪ জন স্বেচ্ছা রক্তদাতাকে নিয়ে যে উদ্যোগের সূচনা হয়েছিল, আজ তা রূপ নিয়েছে এক বৃহৎ সামাজিক আন্দোলনে। বর্তমানে তাদের প্রতিটি রক্তদান শিবিরে অংশ নেন গড়ে দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ।

ক্লাব সূত্রে জানানো হয়েছে, প্রতি বছর ২৩ জানুয়ারি এই রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হলেও চলতি বছরে বিশেষ কারণে ২৪ জানুয়ারি আরও বৃহৎ পরিসরে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। শুক্রবার কলকাতার ক্যালকাটা স্পোর্টস জার্নালিস্টস ক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা জানান কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বাবুন ব্যানার্জি। তিনি জানান, রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে স্বেচ্ছা রক্তদাতারা এই শিবিরে অংশ নেবেন।

এই রক্তদান শিবিরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল এর সার্বজনীন চরিত্র। ধর্ম, জাতি কিংবা ভাষার বিভাজন ছাপিয়ে হিন্দু, মুসলিম ও খ্রিস্টান—সব সম্প্রদায়ের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণেই মানবতার ঐক্যের বার্তা তুলে ধরা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, রক্তদানের বিনিময়ে কোনও উপহার, মেডেল কিংবা আর্থিক প্রলোভন দেওয়া হয় না। শুধুমাত্র একটি সার্টিফিকেট ও সামান্য আপ্যায়নের মাধ্যমেই দায়িত্ব সম্পন্ন করা হয়। কারণ, ভালোবাসা ও মানবিক দায়বদ্ধতাকেই এই আন্দোলনের একমাত্র প্রেরণা হিসেবে বিশ্বাস করে সংগঠনটি।

এই বছর রক্ত সংগ্রহের জন্য রাজ্যের নামী সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালের মোট ১২টি বিভাগের চিকিৎসক দল উপস্থিত থাকবে। রুবি জেনারেল হাসপাতাল, লাইফ কেয়ার, কেস কেবিন, আরএন টেগোর-সহ একাধিক স্বনামধন্য হাসপাতাল এই কর্মসূচিতে যুক্ত থাকছে বলে জানানো হয়েছে।

সাংবাদিক সম্মেলনে ক্রীড়া ও সমাজসেবার সঙ্গে যুক্ত একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন উইং ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি শুভাশিস মুখার্জি, কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি বাবুন ব্যানার্জি, প্রাক্তন ফুটবলার মানস ভট্টাচার্য, প্রাক্তন রঞ্জি অধিনায়ক সম্বরণ ব্যানার্জি, আইএফএ সভাপতি অজিত ব্যানার্জি সহ আরও অনেকে। বক্তারা একযোগে বলেন, এই রক্তদান শিবির শুধুমাত্র একটি কর্মসূচি নয়, এটি দীর্ঘদিন ধরে চলা এক মানবিক আন্দোলন।

সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছে এই উদ্যোগের ব্যাপক প্রচারের আবেদন জানিয়ে বক্তারা বলেন, এর মাধ্যমে আরও বেশি মানুষ স্বেচ্ছায় রক্তদানে এগিয়ে আসবেন।

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অমর পঙ্‌ক্তি উদ্ধৃত করে আয়োজকরা জানান—

“কত অজানারে জানাইলে তুমি, কত ঘরে দিলে ঠাঁই।”

এই মানবিক দর্শনকে সামনে রেখেই ভবিষ্যতেও রক্তদান আন্দোলনকে আরও বৃহৎ পরিসরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার গ্রহণ করেছে কালীঘাট স্পোর্টস লাভারস অ্যাসোসিয়েশন।

অনুষ্ঠিত হলো ‘তৃতীয় শতরঞ্জ কে হিরোজ’

  • News Hungama:

কলকাতা: রাজ্যের দাবা জগতের কৃতী খেলোয়াড় ও প্রবীণ দাবা ব্যক্তিত্বদের সম্মান জানাতে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী দ্য বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্সে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘তৃতীয় শতরঞ্জ কে হিরোজ’ অনুষ্ঠান। সারা বাংলা দাবা সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন ভারতের প্রখ্যাত দাবাড়ু ও গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বরুয়া।

আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৪–২৫ মরশুমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করা পশ্চিমবঙ্গের গ্র্যান্ডমাস্টার, ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার, কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়ন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার পদকজয়ী খেলোয়াড়দের পাশাপাশি প্রবীণ দাবা সংগঠক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের এই অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যে দাবা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থেকে যাঁরা নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন, তাঁদের অবদানও এই মঞ্চে সম্মানের সঙ্গে তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে ক্রীড়া, আইন ও সমাজজগতের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের উপস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। উপস্থিত ছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি কৌশিক চৌধুরী, গ্র্যান্ডমাস্টার সূর্য সাহা ও দিপ্তায়ন ঘোষ, বিধায়ক দেবাশীষ কুমার, বিশিষ্ট সাংবাদিক দেবাশীষ দত্ত, প্রবীণ আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, বেঙ্গল অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট চন্দন রায়চৌধুরী, প্রখ্যাত ফুটবলার মেহতাব হুসেন ও দিব্যেন্দু বিশ্বাস। তাঁদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানের মর্যাদা ও গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পায়।

সারা বাংলা দাবা সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, রাজ্যে দাবার প্রসার ঘটানো এবং নতুন প্রজন্মের খেলোয়াড়দের অনুপ্রাণিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। কৃতী খেলোয়াড়দের সাফল্যের গল্প নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার মাধ্যমে ভবিষ্যতের দাবা প্রতিভাদের এগিয়ে চলার পথে উৎসাহ জোগানোই এই অনুষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য বলে জানান

প্রজাতন্ত্র দিবসে বাবু কালচার জাতি গঠনে অবদান রাখা এক প্রজন্মকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছে

News Hungama:

এই প্রজাতন্ত্র দিবসে, বাবু কালচার স্মরণ ও শ্রদ্ধাকে কেন্দ্র করে একটি আন্তরিক উদ্যোগের মাধ্যমে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করছে।

২৩শে থেকে ২৬শে জানুয়ারি পর্যন্ত, ১৯৫০ সালের আগে জন্মগ্রহণকারী অতিথিদের—যারা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন এবং প্রাথমিক জাতি গঠনের বছরগুলোর সাক্ষী—দেশের গঠনে তাঁদের ভূমিকার প্রতি সম্মান জানিয়ে একটি বিশেষ থালি বিনামূল্যে পরিবেশন করা হবে।

এই উদ্যোগটি বাবু কালচারের সমস্ত আউটলেটে পালন করা হচ্ছে এবং এর সাথে থাকছে ভারতীয় ও বাঙালি রন্ধন ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটানো বিভিন্ন পদ।

Spine surgery saves teen from paralysis and helps elderly women to walk again at Manipal Hospitals Mukundapur

News Hungama:

Kolkata, 19th January 2026: Manipal Hospital, Mukundapur, a unit of one of the largest healthcare providers of Eastern India – Manipal Hospitals Group, successfully treated two consecutive complex spine surgery cases, restoring mobility and quality of life for patients from both paediatric and elderly age profiles, under the supervision of Dr. Anindya Basu, Senior Consultant and Clinical Lead – Spine Surgery, Manipal Hospital Mukundapur. The two cases involved 67-year-old, Seema Dey (name changed), with debilitating spinal pain and 14-year-old, Arshia Ahmed (name changed), diagnosed with spinal tuberculosis leading to severe neurological impairment, that limited her movement and made even simple tasks difficult. Both the patients benefited from advanced surgical techniques, timely intervention, and a multidisciplinary approach to their care.

The first patient, Seema Dey, a housewife, resident of Kolkata, had been living with severe lower back pain and a radiating pain down her leg for several months. Clinical evaluation revealed nerve compression resulting in severe back pain that spreads to the leg that restricted her movement had severely impacted her daily activities, making it difficult for her to walk for more than five minutes at a time.

 

She then, underwent a minimally invasive keyhole tubular lumbar fusion surgery, a modern spine technique designed to minimise tissue damage while ensuring spinal stability. Enabled by the hospital’s advanced infrastructure and surgical expertise, the procedure was completed successfully. She was mobilised the very next day after surgery and discharged within a few days, walking independently and free from the pain that had limited her mobility prior her treatment at Manipal Hospital Mukundapur.

 

The second case involved Arshia Ahmed, a ninth-grade student from Topsia, Kolkata, who was admitted with extreme weakness in both legs and inability to stand and walk. Her medical imaging revealed spinal tuberculosis, where the bones of the spine were badly damaged and the spinal cord was being compressed due to accumulated pus. Without timely surgical intervention, the condition carried a high risk of permanent paralysis.

 

An urgent surgery was performed to drain the abscess, stabilise the spine, and decompress the spinal cord. Arshia made a remarkable recovery, she began regaining strength in her legs and, with the support of the medical team, she could take her first steps again, post-surgery. Her recovery was assisted by a multidisciplinary team that included infectious disease specialists, experts in paediatric care, and rehabilitation professionals, along with structured physiotherapy, which helped her return home, confident and walking. Although the doctor has advised her to refrain from attending school for the time being, as she is undergoing regular physiotherapy. Once she regains full control, strength, and stability, she will be able to rejoin school and participate in all regular academic and physical activities.

 

Expressing her gratitude, Seema Dey said, “Before the surgery, even taking a few steps was extremely painful, and my daily life had come to a standstill. I could barely walk without discomfort. After the operation, I was able to walk on my own within just a few days, without the pain that once restricted me. I am truly grateful to the doctors, nurses, and the entire medical team at Manipal Hospital Mukundapur for helping me regain my mobility and return to a normal, independent life.”

 

Sharing his relief, Arshia’s father, who is a businessman by profession, said, “We were extremely worried when we learned about our daughter’s condition. The doctors at the hospital, explained everything clearly and acted at the right time. Watching her walk again feels like a blessing, and we are grateful to the entire medical team for giving her a healthy future.”

 

Commenting on the two cases, Dr. Anindya Basu said, “These two patients present vastly different challenges, but both highlight the value of early diagnosis, our advanced surgical technique, and multidisciplinary approach. Minimally invasive spinal surgery allows speedy recovery and prompt mobilization for Mrs. Dey, whereas early diagnosis and surgery saved the spinal cord irreparably in Arshia’s case. Watching patients regain their mobility within such a short period of time is deeply rewarding.”

 

These two consecutive successes reinforce Manipal Hospital, Mukundapur’s commitment to delivering advanced, patient-centric spine care through clinical excellence, cutting-edge technology, and coordinated multidisciplinary expertise.

কর্মা সোশ্যাল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট’ এর উদ্যোগে অনাথ আশ্রমকে কেন্দ্র করে দু’দিনের শিল্প–সংস্কৃতিক পরিবেশ

News Hungama:

 

সমাজসেবাকে শিল্প ও সংস্কৃতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে আরও গভীরভাবে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে দু’দিনের বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে কর্মা সোশ্যাল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট।

প্রতি বছর যেখানে এই আয়োজন একদিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকত, সেখানে এ বছর সুন্দরবনের ধনেখালি এলাকায় একটি অনাথ আশ্রম গড়ে তোলার পরিকল্পনাকে সামনে রেখে কর্মসূচির পরিসর বাড়ানো হয়েছে বলে ট্রাস্ট সূত্রে জানা গিয়েছে

ট্রাস্টের কর্ণধার ও বিশিষ্ট আইনজীবী অনিল দাস জানান, আবহাওয়ার অনুকূলতা, শিশুদের পড়াশোনা ও পরীক্ষার সময়সূচি এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনার সুবিধার কথা মাথায় রেখেই প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাঁর সঙ্গে এই সামাজিক যাত্রাপথে শুরু থেকেই যুক্ত রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী মামনি দাস এবং সন্তান অমৃতাংশু দাস ও মানিলা দাস। দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই সময়টিকেই সবচেয়ে উপযুক্ত বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

এ বছরের অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ১৭ জানুয়ারি সকাল ১১টায়। প্রয়াত সমাজসেবী ও প্রখ্যাত সাংবাদিক বিজয় রায় মহাশয়ের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

আয়োজকদের মতে, সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ ও মানবিক চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে বিজয় রায় মহাশয়ের জীবনদর্শনই তাঁদের এই উদ্যোগের মূল প্রেরণা। সেই কারণেই এবছরের সম্পূর্ণ আয়োজন তাঁর স্মৃতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানের প্রথম দিনেই বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত প্রায় ৭০ থেকে ৮০ জন প্রতিষ্ঠিত শিল্পীর পাশাপাশি প্রতিভাবান শিশু শিল্পীরা রং ও তুলির মাধ্যমে ক্যানভাসে নিজেদের শিল্পভাবনা তুলে ধরেন। এই শিল্পকর্মগুলি ভবিষ্যতে ধনেখালিতে গড়ে ওঠা অনাথ আশ্রমে প্রদর্শনের পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে আদিবাসী নৃত্য, পুরুলিয়ার ঐতিহ্যবাহী ছৌ নৃত্য, বিরাটি এলাকার নৃত্যদলের পরিবেশনা এবং সংগীতানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আয়োজকদের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের শিল্প, সংস্কৃতি ও লোকঐতিহ্যকে তুলে ধরাই এই মঞ্চের মূল লক্ষ্য।
প্রথম দিনের বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত বিজয় রায় মহাশয়ের জ্যেষ্ঠপুত্র ও বিশিষ্ট সমাজসেবী সঞ্জয় রায়। তিনি জানান, তাঁর পিতার স্মৃতিকে কেন্দ্র করে এমন একটি মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করায় তিনি গভীরভাবে আপ্লুত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কুনাল শাহ (WB Boxing Federation), প্রখ্যাত চিত্র পরিচালক বাদল সরকার, সমাজসেবী অর্নিবান সামন্ত এবং সমাজসেবীকা মহুয়া বৈদ্য।

দ্বিতীয় দিনে ২ থেকে ১৬ বছর বয়সী শিশুদের জন্য ‘বসে আঁকো’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি আদিবাসী নৃত্য, সংগীত ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে সমাজের সামনে অনাথ আশ্রম প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা, লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। এই দিনের বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাস্কিন বক্স (WBCS), প্রখ্যাত চিত্রকর দিবাকর চক্রবর্তী, অভিনেতা ও পরিচালক রিওয়িক জয়সওয়াল, অভিনেত্রী ইননায়া চৌধুরি, প্রযোজক অর্জুন গুপ্ত, সমাজসেবীকা সীমা ভৌমিক এবং মডেল সাহানি চ্যাটার্জি। পুরস্কার বিতরণীর মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।
প্রসঙ্গত, কর্মা সোশ্যাল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসে রক্তদান শিবির, স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির ও বস্ত্রদান কর্মসূচির মতো একাধিক সমাজসেবামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে। ট্রাস্ট সূত্রে জানানো হয়েছে, এ বছরের প্রধান লক্ষ্য সুন্দরবনের ধনেখালি এলাকায় একটি অনাথ আশ্রম গড়ে তোলা। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই এই শিল্প ও সংস্কৃতিনির্ভর সমাজসেবামূলক আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

Sach Ki KKhoj — A Powerful Cinematic Journey into Truth, Conscience and Courage

News Hungama:

Kolkata, 3rd January 2026: A special screening of upcoming movie “Sach Ki KKhoj”, directed by acclaimed filmmaker Suvendu Ghosh, was successfully held at the iLEAD Auditorium, witnessing an encouraging turnout of students, film enthusiasts and team of the film’s creative fraternity.

Sach Ki KKhoj goes beyond being just a film. It is a heartfelt expression of love for family, relationships and commitment. Pradip Chopra delivers an extraordinary performance and every member of the cast contributes with sincerity and depth.

Veteran actor Pradip Chopra continues to inspire audiences with his powerful performances across generations. From portraying Kavya’s father in Before You Die to playing Kusum’s grandfather in Kusum Ka Biyaah, he now returns in Sach Ki KKhoj — a moving story that highlights the inner world, values and emotions of an 75-year-old common man.

Sach Ki KKhoj portrays how truth may be delayed, but it can never be destroyed. The film ultimately delivers a powerful message – when one person dares to seek the truth, change becomes possible. The film features compelling performances by Pradip Chopra, Sreejee Mukherjee, Jhilmi Mukherjee, Sourya Madrajee, Pinaki Bose, Basant Sharma, Haimanti Ganguly, Madhumita Paul, Bijoy Bhattacharya, Arghya Banerjee, Nisha Halder, Rupan Dasgupta, Joy Mondal, Sayantan Roy, Angsuprabha Chakraborty, Bappaditya Bandyopadhyay, Titas Chakraborty, Sampurna Roychowdhury, Samir Kumar Charit, Rahul Chawla, Wasim Akram, Manish Shila, Jagdish Bhargav, Omprakash Nayak, Binay Raut, Bipin Kumar Pandey, Subhro Mukherjee and child artist Karnika Mitra and Akshat Chopra all of whom bring remarkable depth and authenticity to their characters.

Speaking about the film, Pradip Chopra who plays a pivotal role in Sach Ki KKhoj and also serves as its producer, said “Sach Ki KKhoj is very close to my heart. As an actor and producer, I believe cinema has the power to question society and awaken conscience. This film is not just a story, it is a reflection of the truth we often choose to ignore. Working with the entire cast of the film has been a creatively fulfilling experience and I hope the audience connects deeply with the message of the film.”

Speaking about the film, director Suvendu Ghosh shares, “Sach Ki KKhoj is a mirror to our society. It asks uncomfortable questions and reminds us that truth is not always easy, but it is always necessary. This film is for everyone who believes that even one honest voice can make a difference.”

The much-anticipated film Sach Ki KKhoj is set to release on 9th January 2026, inviting audiences to witness a powerful and thought-provoking journey in search of truth on the big screen, as it screens across 150 cinema halls nationwide.

The film was executed by an experienced senior crew, with the story directed by Shuvendu Ghosh, screenplay by Sayantan Roy, cinematography by Arabinda Ghosh, art direction by Unmmad and Prasenjit, editing by Raj Singh Sidhu, makeup and hair by Agnes Adline D’costa, costume design by Poulaami Paanja, DI color grading by Avishek Mehta, sound engineering by Ajeet Prasad, chief assistant direction by Sayantan Roy and drone operations by Sanaullah Molla.

The film is produced under the banner of iLEAD Films and is directed by Shuvendu Ghosh, with the story written by the director himself. Sach Ki KKhoj promises to connect deeply with audiences through its strong message and beautifully human storytelling.